I am text block. Click edit button to change this text. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

নিলাম 7 কী?

এটি একটি ওয়েবসাইট, যেখানে আপনি বিভিন্ন আকর্ষণীয় পণ্য আকর্ষণীয় মূল্যে কিনতে পারবেন।

কারা নিলামে অংশ নিতে পারবেন?

যে কেউ এই ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট করে নিলামে অংশ নিতে পারবেন।

নিলামে অংশ নিতে টাকা লাগবে?

সরাসরি টাকা লাগবে না। তবে নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য টাকা দিয়ে পয়েন্ট কিনতে হবে। আপাতত বিকাশের মাধ্যমে পয়েন্ট কেনা যাবে। নিয়মাবলির ২ নম্বর পয়েন্টটি পড়ুন।

এক টাকায় কতটি পয়েন্ট কেনা যাবে?

এক টাকায় ১০টি পয়েন্ট কেনা যাবে। আপনি যত ইচ্ছা পয়েন্ট কিনতে পারবেন।

নিলামে জিতলে কীভাবে বুঝব?

প্রতিটি পণ্যের নিলামের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করা থাকবে। এই সময়ের মধ্যে নিলাম করতে হবে। আপনি যে পণ্যের নিলামে অংশ নিচ্ছেন, সেই পণ্যে অন্য আরও যারা অংশ নিচ্ছেন, তাদের নিলামও আপনি দেখতে পারবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ নিলাম করবেন, তিনিই বিজয়ী হবেন। সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পণ্যের পাশে বিজয়ীর নাম ও ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে যাবে।

নিলামে জেতা পণ্য পাব কীভাবে?

নিলাম শেষ হওয়ার পর প্রিয় থেকে যোগাযোগ করে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

নিলামে অংশ নেওয়া সবার পয়েন্ট কাটা হবে?

না। যিনি সর্বোচ্চ নিলাম করবেন, শুধু তার নিলামকৃত পয়েন্টই কেটে রাখা হবে। বাকী সবার পয়েন্ট সঙ্গে সঙ্গেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রোফাইলে যোগ হয়ে যাবে।

কোনো পণ্যের নিলামের বেজ প্রাইস কীভাবে নির্ধারণ করা হবে?

সাধারণত পণ্যের দামের অর্ধেক অর্থের সমমূল্যের পয়েন্ট হবে বেজ প্রাইস।

স্মার্টফোনগুলোর কি ওয়ারেন্টি আছে / ফোন গুলো কি অফিসিয়াল?

অনেকেই স্মার্টফোনের ওয়ারেন্টি কার্ড নিয়ে আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন। আমরা এখন পর্যন্ত যতগুলো স্মার্টফোন পাঠিয়েছি এবং ভবিষ্যতে আরও যা পাঠাব, সবগুলোই অফিশিয়াল। অনেক কোম্পানির স্মার্টফোনের বক্সের ভেতরই ওয়ারেন্টি কার্ড থাকে, আপনি ইচ্ছা করলে সেটা পূরণ করে নিতে পারেন। বক্সের ভেতর ওয়ারেন্টি কার্ড না থাকলেও স্মার্টফোনের IMEI নাম্বারটি সংরক্ষণ করুন। এই IMEI নাম্বারটিই আপনার ওয়ারেন্টি কার্ড হিসেবে কাজ করবে। যদি সেটাও না পারেন, তাহলেও কোনো অসুবিধা নেই। যেহেতু প্রতিটি ফোনই অফিশিয়াল এবং শতভাগ অথেনটিক, তাই আপনার ফোনের কিছু হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাস্টমার কেয়ারে ফোনটি নিয়ে গেলেই হবে। আর কিছু লাগবে না। আপনি যেই মুহূর্ত থেকে ফোনটি চালু করবেন, সেই মুহূর্ত থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়ারেন্টি টাইম হিসাব করা শুরু হবে। আপনার ফোনটি অথেনটিক কিনা, সেটা যাচাই করতে ফোনটি হাতে পাওয়ার পর KYD লিখে একটা স্পেস দিয়ে IMEI নাম্বার লিখে 16002 নাম্বারে এসএমএস পাঠালে বিটিআরসি থেকে ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে যে আপনার ফোনটি অথিনটিক কিনা। আশা করছি স্মার্টফোনের ওয়ারেন্টি সংক্রান্ত সন্দেহ ও উদ্বেগ দূর হবে।